ঢাকার রাস্তায় আজ গাড়ি কম

ঢাকার রাস্তায় আজ গাড়ি কম

চিরিরবন্দর পরিক্রমা দেশের খবর

ঢাকার রাস্তায় আজ গাড়ি কম

বিজ্ঞাপন

অলিউজ্জামান বলেন, কোনো কোনো যানবাহনের যাত্রীদের কেউই মাস্ক পরা ছিলেন না। অনেকে বের হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বলতে পারেননি। অসুস্থতার কথা বললেও চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আর এখন ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ। ওই তিন মোটরসাইকেলই ভাড়ায় চলছিল।

বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকায় বেশ কিছু রিকশা ও মোটরসাইকেলকে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। শরিফুল ইসলাম নামের এক রিকশাচালক বলেন, তিনি মানিকদী এলাকায় থাকেন। বিধিনিষেধ শুরু হওয়ার পর প্রতিদিনই তিনি রিকশা নিয়ে ভিআইপি সড়ক দিয়ে দূরের যাত্রী বহন করছেন। আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাত্রী নেন ৪০০ টাকা ভাড়ায়। আজ অত দূর গিয়েছিলেন কি না, জানতে চাইলে বলেন, এয়ারপোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন। সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৪০০ টাকা আয় হয়েছে তাঁর।

মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, বাংলামোটর, ফার্মগেট, বিজয় সরণি ও জাহাঙ্গীরগেট এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় গাড়ির তেমন চাপ নেই। তল্লাশি কার্যক্রমও চলছে ঢিলেঢালাভাবে। সেখানকার তল্লাশিচৌকিগুলোতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা জানান, ছুটির দিন হওয়ার কারণে গাড়ির চাপ নেই। তবে অনেকেই মোটরসাইকেলে ভাড়ায় রাইড শেয়ার করছেন। ভাড়ায় চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশাও।

সকাল সোয়া ১০টায় তেজগাঁওয়ের তিব্বত মোড়ে আবির মাহমুদ নামের এক মোটরসাইকেলচালক পেছনে আরোহী নিয়ে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল থামিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. সুলতান তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, পেছনের যাত্রী তাঁর ভাই। জরুরি প্রয়োজনে তিনি তাঁকে উত্তরা নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর কথায় সন্দেহ হলে পেছনের যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সার্জেন্ট সুলতান। তখন পেছনের ওই ব্যক্তি জানান, তিনি নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে ৪০০ টাকা ভাড়ায় উত্তরা যাচ্ছেন। পরে মোটরসাইকেলচালক আবিরকে সরকারি আদেশ অমান্য করায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. সুলতান বলেন, আজ সকাল থেকেই গাড়ির চাপ কম। তবে অনেকেই মোটরসাইকেলে ভাড়ায় রাইড শেয়ার করছেন। এখন পর্যন্ত এমন পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়েছে।

গ্রিন রোড এলাকার ব্যক্তিগত গাড়িচালক হেরালিউস জানান, ছুটির দিন হওয়ায় তাঁরা কারওয়ান বাজারে কাঁচাবাজার করতে এসেছেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সবশেষ ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলমান কঠোর বিধিনিষেধের সময় বাড়ানো হয়। ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট খুলে দেওয়া হবে এবং সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলবে বলে আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১ থেকে জুলাই ১৪ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ ছিল। পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে আট দিন শিথিল করা হয় এবং ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

ঢাকার রাস্তায় আজ গাড়ি কম

চিরিরবন্দর পারিক্রমা 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *