চিরিরবন্দর উপজেলা আজ এক নীরব মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।প্রতিদিন এই জনপদের সড়কগুলোতে যা ঘটছে, তা আর নিছক “দুর্ঘটনা” নয়—এটি সড়ক সন্ত্রাস, এটি প্রশাসনিক ব্যর্থতা, এটি মানবজীবনের প্রতি চরম অবহেলা। ❗ মূল সংকট কোথায়? চিরিরবন্দরের প্রধান সড়ক ও সংযোগ সড়কগুলোতে প্রতিদিন চলাচল করছে— এই যানবাহনগুলো চলছে বেপরোয়া গতিতে, কোনো গতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই, কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে। 🎒 স্কুল–মাদ্রাসা এলাকায় ভয়াবহ ঝুঁকি সবচেয়ে দুঃখজনক ও আতঙ্কজনক বাস্তবতা হলো—👉 এই সড়কের দু’পাশেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্কুল, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান👉 প্রতিদিন সকাল ও দুপুরে শত শত শিশু শিক্ষার্থী রাস্তা পার হয়👉 অথচ এই সময়েই ভারী ট্রলি ও অটো টেম্পু ছুটে চলে মৃত্যুর গতিতে একটি শিশুর হাতে বই, অন্য হাতে স্কুল ব্যাগ—আর সামনে দাঁড়িয়ে থাকে একটি ব্রেক ফেল ট্রলি। এটা কি উন্নয়ন?নাকি এটা সভ্যতার মুখে চপেটাঘাত? ⚠️ প্রতিমাসেই ঝরছে প্রাণ প্রায় প্রতিমাসেই— প্রতিটি মৃত্যুর পর কিছুদিন আলোচনা হয়,কিছুদিন নীরবতা থাকে,তারপর আবার সব আগের মতো। ❌ কোনো স্থায়ী সমাধান নেই❌ কোনো জবাবদিহি নেই❌ নেই দায়ীদের শাস্তি এই মৃত্যুগুলো কি শুধুই সংখ্যায় পরিণত হবে? 🛑 দুর্ঘটনা নয়—এটি অবহেলাজনিত হত্যা যখন— তখন একে আর দুর্ঘটনা বলা যায় না।এটি অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড। 📣 আমাদের স্পষ্ট দাবি চিরিরবন্দরের মানুষ আর লাশ দেখতে চায় না।আমরা চাই— 1️⃣ স্কুল ও মাদ্রাসা এলাকায় ভারী ট্রলি চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ2️⃣ অটো টেম্পু ও ট্রলির বাধ্যতামূলক ফিটনেস ও ব্রেক পরীক্ষা3️⃣ সড়কে গতি সীমা নির্ধারণ ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন4️⃣ নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন5️⃣ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ✊ নীরবতা আর নয় আজ যদি আমরা নীরব থাকি,আগামীকাল হয়তো লাশটা হবে— সড়ক মানুষের জন্য,মৃত্যুর জন্য নয়। 🛑 প্রাণ আগে—অবহেলা নয়🛑 চিরিরবন্দর চাই নিরাপদ সড়ক🛑 দায়িত্বহীনতা বন্ধ হোক এখনই