চিরিরবন্দরের সফল উদ্যোক্তাদের গল্প এবং ব্যবসায়িক সুযোগের তথ্য
ফেসবুক পেজ ও অনলাইন মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে স্থানীয় পণ্য বিক্রি করে মাসে ৩০,০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা আয় করছেন।
সরকারি প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তায় পোল্ট্রি খামার গড়ে আর্থিক স্বাধীনতা পেয়েছেন শতাধিক নারী।
নকশিকাঁথা ও বাঁশ-বেতের তৈরি পণ্য ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে।
মাত্র ১০টি মৌমাছির বাক্স দিয়ে শুরু করে এখন ১৫০টি বাক্সের মালিক। বার্ষিক আয় ৫ লক্ষ টাকার বেশি।
আধুনিক পদ্ধতিতে পুকুরে মাছ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা।
গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠছেন স্থানীয় যুবকরা।
আপনার ব্যবসার ধারণা বা সাফল্যের গল্প আমাদের জানান। chirirbandar.com-এ আপনার গল্প প্রকাশিত হবে।
📝 এখনই জানানচিরিরবন্দরের যেকোনো পণ্য — লিচু, আম, চিড়া, পাপড়, হস্তশিল্প — আমাদের মার্কেটে তালিকাভুক্ত করুন। সারা বাংলাদেশের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছান।