চিরিরবন্দরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিলন
১৮৫০ সালে নির্মিত এই মসজিদটি মোগল ও ব্রিটিশ স্থাপত্যের অপূর্ব মিলন। উপজেলার সবচেয়ে পুরনো ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে এটি ইতিহাসপ্রেমী পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
আত্রাই নদীর তীরে সূর্যাস্তের দৃশ্য অতুলনীয়। বর্ষায় নদীর বুকে নৌকাভ্রমণ এবং শীতে পরিযায়ী পাখির আগমনে এই স্থানটি প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গ।
মে-জুন মাসে লিচুর মৌসুমে চিরিরবন্দরের বাগানগুলো থোকা থোকা লিচুতে ভরে ওঠে। সবুজ পাতার ফাঁকে লাল লিচুর দৃশ্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। বাগান মালিকদের অনুমতি নিয়ে পরিদর্শন করা যায়।
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই জমিদার বাড়িটি উত্তরবঙ্গের টেরাকোটা স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন। বাড়ির ভেতরে রয়েছে দুর্গামন্দির, পুকুর ও বিশাল বাগান।
নবনির্মিত পুনর্ভবা সেতু এখন একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। সেতু থেকে নদীর দুপাশের সবুজ দৃশ্য এবং বিকেলের আলোয় নদীর রূপ অসাধারণ।
প্রাচীন এই মন্দিরটি চিরিরবন্দরের হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান। দুর্গাপূজায় এখানে বিশাল উৎসব হয়, যেখানে হাজারো মানুষের সমাগম হয়।
ঢাকার কল্যাণপুর বা গাবতলী থেকে দিনাজপুরগামী বাসে চড়ুন। দিনাজপুর থেকে চিরিরবন্দরে লোকাল বাস বা সিএনজিতে আসুন। সময়: ঢাকা থেকে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা।
ঢাকার কমলাপুর থেকে একতা বা দ্রুতযান এক্সপ্রেসে পার্বতীপুর জংশনে নামুন। সেখান থেকে বাস বা সিএনজিতে চিরিরবন্দর। সময়: প্রায় ৯-১০ ঘণ্টা।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-সিরাজগঞ্জ-বগুড়া হয়ে দিনাজপুর, তারপর চিরিরবন্দর। মোট দূরত্ব প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। সময়: ৬-৭ ঘণ্টা।