যাঁদের কীর্তি ও আত্মত্যাগে আলোকিত হয়েছে এই জনপদ, ছড়িয়ে পড়েছে সুনাম দেশ থেকে দেশান্তরে।
চিরিরবন্দরের শিক্ষাবিপ্লবের রূপকার। ২০০০ সালে ঘুঘরাতলীতে মা-বাবার নামে আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করে এই জনপদে শিক্ষার আলো জ্বালিয়েছেন। তাঁরই অনুপ্রেরণায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য মানসম্মত বিদ্যাপীঠ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দশ মাইল নামক স্থানে পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর সন্তান। তাঁর আত্মত্যাগ চিরিরবন্দরের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
ঢাকার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ। চিরিরবন্দরের কৃতি সন্তান হিসেবে দেশের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং নিজ জনপদের গর্ব।
আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের পরিচালক। কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের অন্যতম সেরা আবাসিক বিদ্যাপীঠে পরিণত করেছেন।
চিরিরবন্দর-খানসামা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৪ আসনের জনপ্রতিনিধি। ১৯৮৬ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী হিসেবে এবং পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চিরিরবন্দর-খানসামা অঞ্চলের অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দিনাজপুর-৪ আসনের বিএনপি দলীয় জনপ্রতিনিধি। স্থানীয় উন্নয়ন ও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।
📝 এই তালিকায় আরও গুণীজন যুক্ত হবে। আপনার জানা কোনো কৃতি সন্তানের তথ্য থাকলে আমাদের জানান।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, জাগোনিউজ২৪ ও স্থানীয় সূত্র অবলম্বনে।